ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন
কুমিল্লা চৌদগ্রাম খামার পুষ্কুরণী জামায়াত নেতা শাহ আহাম্মদ, ৪নং শ্রীপুর যুবলীগের আহ্বায়ক ও সাবেক চেয়ারম্যান শাহজালাল মজুমদারের নেতৃত্যে যুবদল নেতা মোহাম্মদ ফারুকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মোহাম্মদ ফারুক সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন দুপুরে ৫ নং শুভপুর পদুয়া খামার পুষ্কুরণী গ্রামে কিছু সন্ত্রাসী বাহিনি অগ্নিকান্ড ঘটায়।
এ ঘটনার জন্য চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ধনুসারা গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান এবং তার ক্যডার বাহিনিকে দায়ী করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। যুবদলের সদস্য ফারুক আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা জামায়াত নেতা শিফাত উল্লাহ মিয়াজী, মাসুম বিল্লাহ, সাকিল,মিজান এবং এনাম এর নেতৃত্বে বিপুল মিয়া, ফিরোজ, রাজ্জাক, মিজান ও কবিরসহ অনেকেই সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ঘরে থাকা নগদ টাকা, সোনার গহনা, ব্যাংকের চেক, টিভি, ফ্রিজ সহ মূল্যবান আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যায়। এবং লুটপাটের পর অগ্নিসংযোগ করে। আমার ভাই তারেকের ঘরেও ভাঙচুর লুটপাট চালায় এই সন্ত্রাসী বাহিনী। তারা ভাঙচুর ও লুটপাট করেই ক্ষ্যান্ত হননি তার পরের দিন শুক্রবার রাতে ৫ নং শুভপুর শাখা কৃষক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আবুল কালাম খানের বাড়িতে পাটের গোডাউনে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। প্রাণনাশের হুমকিও দিচ্ছেন তারা।
এ ঘটনায় মোহাম্মদ ফারুক এর ভাই তারেক আত্নগোপনে রয়েছেন। তারেককেও বিভিন্ন ভাবে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। জনমানব শূন্য হয়ে পড়েছে ঐ এলাকা। ৫ নং শুভপুর বিএনপির ’র পক্ষ থেকে এসব হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে ৪ নং শ্রীপুরের চেয়ারম্যান ও চৌদ্দগ্রাম থানা জামায়াত নেতা শিফাত উল্লাহ মিয়াজী, মাসুম বিল্লাহ এবং মাইনুদ্দিনি তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই এলাকায় একজন পাগল মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। তৃতীয় পক্ষ এখানে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে বলে মনে হচ্ছে। চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

